😮 গাজীপুর জয়দেবপুর সিটিতে ১৪০০ বর্গফুট+পার্কিং এর এ্যাপার্টমেন্ট মাত্র ৩৫ লাখ টাকায় 😮 শেয়ার বিক্রয় চলছে" জমির পরিমানঃ ১২ কাঠা প্রতি ফ্লোরে ইউনিটঃ ৬ টি ফ্ল্যাট সাইজ কমনসহ ১৪০০ বর্গফুট+পার্কিং প্রতি ফ্ল্যাটে ৩ বেড, ৩ বাথ, ২ বারান্দা, আলাদা করে ডাইনিং এবং লিভিং রুম, বড় সাইজের কিচেন! শেয়ার মূল্য ১৪,০০,০০০/- (সাথে সাথে জমি রেজিঃ করে দেওয়া হবে) WhatsApp for details... ২০২৪ সালের ১ম অক্টোবরে প্রকল্পের জমি সম্পূর্ণরূপে কোম্পানির নামে ক্রয় করা হয়েছে ৷ ২০২৬ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি প্রকল্পের ছাড়পত্র অনুমোদিত হয়েছে ৷ ইলেকট্রিসিটি, ওয়াটার এবং বাউন্ডারির মতো ইউটিলিটি নিয়ে ইতিমধ্যেই সাইটে কাজ শুরু হয়েছে । এটি গাজীপুরের প্রধান শহরে অবস্থিত। গাজীপুরের সবচেয়ে মূল্যবান ও উন্নয়নশীল এলাকা, দক্ষিণ ছায়াবীথি সংলগ্ন । এটি ১২ কাঠা জমিতে পরিকল্পিত একটি আধুনিক আবাসন প্রকল্প। এর ভিতরে থাকবে একটি অত্যাধুনিক রুফ টপ সুইমিং পুল, একটি উপযুক্ত জিম, একটি লাইব্রেরি এবং একটি মডেল মসজিদ । ভবনের ছাদে ও চারপাশে থাকবে ওয়াক ওয়ে ও সুন্দর বাগান। এটি একটি খুব শান্ত, সুন্দর এবং যানজট মুক্ত পরিবেশে নিরাপদ বাসস্থান হতে চলেছে । আপনি যদি এই এলাকার একজন ডেভেলপারের কাছ থেকে ১৪০০ বর্গফুটের অ্যাপার্টমেন্ট কিনতে যান, তাহলে ৮০ লাখ টাকা খরচ হবে। শেয়ারের দাম সহ ৩৫ লাখের মধ্যে কাঙ্খিত অ্যাপার্টমেন্ট কীভাবে পাওয়া যায় তা আলোচনা করা যাক। আমাদের ১২ কাঠা জমির সব খরচ মিটিয়ে শেয়ারপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ লাখ টাকা। আপনার জমির শেয়ার কেনার সাথে সাথে আপনার নামে নিবন্ধিত হবে, আপনি সাব-ডিডের মালিক হয়ে যাবেন। ভবনের কাজ শেষ করতে সময় লাগবে ৩.৫ বছর। মাসিক কিস্তি নিয়ে শুরু হয় ভবনের কাজ। প্রতিটি ব্যক্তি তাদের অ্যাপার্টমেন্ট সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সর্বাধিক ৩৪ - ৩৫ লাখ খরচ করবে, যা প্রতি মাসে ছোট কিস্তিতে দিতে হবে। ভবনের কাজ শেষ হলে লটারির মাধ্যমে সবাইকে নিজস্ব ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। দেখেন ! আপনি যদি একজন ডেভেলপারের কাছ থেকে একটি ফ্ল্যাট কেনেন, আপনি জানেন না সেখানে কী মানের উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। এখানে সুবিধা হল এই বিল্ডিং-এ, আপনি এবং শেয়ারহোল্ডাররা একসাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন আমরা কোন ব্র্যান্ডের রড বা সিমেন্ট ব্যবহার করব এবং আমরা আমাদের নিজস্ব বাড়ি তৈরি করব। কোন খাতে কত টাকা খরচ হচ্ছে, ১ টাকা হলেও তা গ্রুপে হালনাগাদ করা হবে, সব কিছু উনমুক্ত থাকবে । প্রধান ট্রেন এবং বাস স্টেশন প্রকল্প থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে থাকার কারণে এখানকার যোগাযোগ খুব ভালো হয়েছে। প্রকল্পের ৪০০ মিটারের মধ্যে অগণিত অত্যন্ত স্বনামধন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মেট্রোপলিটন কলেজ, তাজ উদ্দিন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, পপুলার ডায়াগনস্টিক মাত্র কয়েকটির নাম উল্লেখ করলাম। এটি নিঃসন্দেহে বসবাসের জন্য খুব সাশ্রয়ী মূল্যের। এবং বিনিয়োগের জন্য একটি খুব ভাল প্রকল্প! আপনি এই ধরনের একটি প্রকল্পে বিনিয়োগ করে কমপক্ষে ৩৫/৪০ লক্ষ টাকা লাভ করতে পারেন। ১১ তলা জুড়ে মোট ৬২ টি ইউনিট, ৫৪ টি ইউনিট ইতিমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে, শুধুমাত্র ৬ টি ইউনিট ক্রয়ের জন্য এভেইল্যাবল আছে। প্রকল্প সাইট এবং কোম্পানি অফিসে ভিজিট বুক করতে বা আরও তথ্যের জন্য, আমাকে সরাসরি যেকোনো সময় কল করতে পারেন !! “ধন্যবাদ”