Category

টিপস

Category

Reading Time: 3 minutes ডাইনিং রুমের সাইজ অ্যাপার্টমেন্ট ভেদে নানা রকম হয়ে থাকে। মুশকিলটা সেখানেও হয় না। হিমশিম খাওয়া হয় তখন, যখন ডেকোরেশন করতে হয়। আবার এমন অনেকেই ভাবে যে ডেকোরেশন মানেই অনেক টাকার মামলা। ঘরের সাজ যেন কম টাকায় সম্ভবই না। কিন্তু বাস্তবে কি আসলেই তাই? মোটেও না। আজকের এই ব্লগে আমরা এনেছি, চমৎকার কিছু টিপস যেগুলো ব্যবহার করে আপনি কম খরচে ডাইনিং রুমের ডেকোর করতে পারবেন।  সিলিং ডাইনিং রুমের ডেকোরের আইডিয়াগুলো বেশ লিমিটেড। সুতরাং যা কিছু আগে থেকেই আছে তার উপর হাত ঘুড়িয়ে নিলেই কিন্তু চমৎকার কিছু হয়ে যেতে পারে। হতে পারে তা সিলিং এর রঙ বদল কিংবা সিলিং যেকোন রঙের বা নকশার ঝাড়বাতি ঝুলিয়ে দেয়া। ঝাড়বাতি কিন্তু ঘরের আবেশটায় এনে দিতে পারে আভিজাত্য। নতুন কিছু যদি করতে চান সেক্ষেত্রে, সিলিং এ ওয়ালআর্ট করতে পারেন। একটু কনফিউজিং লাগছে? আচ্ছা, ধরে নিন, আপনার সিলিংটাই একটা সাদা ক্যানভাস। মনের মত আকাশ এঁকে নিতে পারেন। অবহেলিত ডাইনিং রুমটা মূহুর্তেই বেশ সুন্দর হয়ে উঠবে। খরচের কথা…

Reading Time: 4 minutes প্রপার্টি ক্রয় বা বিক্রির সময় পরামর্শের জন্য রিয়েল এস্টেট অ্যাডভাইজারের শরণাপন্ন হওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। আমাদের দেশে বিষয়টি নতুন হলেও উন্নত বিশ্বে বেশিরভাগ দেশেই রিয়েল এস্টেট এজেন্টই প্রপার্টি হাতবদলের একমাত্র মাধ্যম। তাই অভিজ্ঞ একজন রিয়েল এস্টেট অ্যাডভাইজার যেমন আপনার কাজকে করে দিতে পারে খুবই সহজ ঠিক তেমনি কোন অদক্ষ রিয়েল এস্টেট এজেন্ট আপনার প্রপার্টি যাত্রাকে করে তুলতে পারে ক্লান্তিকর এবং বিভীষিকাময়। এমন কারো খপ্পরে যেন আপনি না পড়ে যান সেজন্য জানতে হবে অদক্ষ রিয়েল এস্টেট এজেন্ট চেনার উপায়। এমন ৫টি লক্ষণের কথাই বলা হয়েছে এখানে যা সাধারণত এমন আনপ্রফেশনাল রিয়েল এস্টেট এজেন্টদের মধ্যে দেখা যায়। আপনার প্রয়োজনের প্রতি অমনোযোগী একজন রিয়েল এস্টেট অ্যাডভাইজারের কাজই হল চাহিদা মোতাবেক আপনার জন্য সবচেয়ে ভাল একটি প্রপার্টি খুঁজে বের করা। এমনকি, যদি আপনি আপনার চাহিদা সম্পর্কে শতভাগ নিশ্চিত নাও থাকেন, একজন দক্ষ অ্যাডভাইজার আপনাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করে, চাহিদার নানান দিক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়ে আপনার জন্য সঠিক ডিলটি খুঁজে বের করবেন। শুধু তাই…

Reading Time: 4 minutes আমাদের সকলেরই স্বপ্ন থাকে একটি মাথা গুঁজবার ঠাইয়ের। তবে এদেশে সবার সৌভাগ্য হয় না নিজের বাসায় থাকবার। বেশির ভাগই থাকেন ভাড়া করা বাসায়। অল্প কিছু সৌভাগ্যবান পান নিজের জন্য ছোট্ট একটি বাসা বা ফ্ল্যাট। আর যারা চরম সৌভাগ্যবান, কিংবা যাদের দুরদৃষ্টি অত্যন্ত প্রথর, তারাই মালিক হন এক খন্ড জমির। কিন্তু নিজের জায়গাই তো শুধু থাকলে হবে না, সেখানে গড়তে হবে ইমারত, তবেই না আসবে সুখের নিবাসের কথা! ঢাকার মত মেগাসিটি কিংবা চট্টগ্রামের মত বড় শহরসহ অন্যান্য উন্নত শহরের জমির মালিকেরা প্রায়শই ভোগেন এক অদ্ভুত বিড়ম্বনায়, তাঁর বাড়ি তৈরি করার জন্য সঠিক ডেভেলপার খুঁজে পাবার বিড়ম্বনা! বিভিন্ন কারণেই আপনি ডেভেলপারদের শরণাপন্ন হতে পারেন। প্রশ্ন হল আপনি সঠিক ডেভেলপার চিনতে ভুল করছেন কী না। সেই আলোচনা নিয়ে আজকে আমাদের লেখা। কেন আপনার সঠিক ডেভেলপার প্রয়োজন? বিভিন্ন কারণেই আপনি কোন ডেভেলপারের খোঁজ করতে পারেন। হতে পারে আপনি প্রচন্ড ব্যস্ত এবং একটি বাড়ি নির্মাণের জন্য যে সময় প্রয়োজন তা আপনার নেই। হতে পারে আপনি…

Reading Time: 4 minutes জীবনের বাস্তবতায় অনেকসময় আমাদের পড়াশোনার জন্য ছুটতে হয় নতুন শহরের উদ্দেশ্যে। নতুন পথের যাত্রা মানেই নতুন একটা চ্যালেঞ্জ। এখানে চ্যালেঞ্জটা কেবল নতুন পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে চলাই নয়। যুক্ত হয় যে উদ্দেশ্যে আগমন নতুন এই শহরে, সেই পড়াশোনাটাও চালিয়ে নেয়া ঠিকঠাকভাবে। সব মিলিয়ে সুন্দরভাবে জীবনকে যাপণ করার চ্যালেঞ্জ। কিন্তু কীভাবে মোকাবেলা করা যাবে এই চ্যালেঞ্জের? শুরু করুন প্রথমেই থাকার জায়গাটি নিজের মতো করে সাজিয়ে গুছিয়ে নিতে। যেহেতু আপনি একজন ছাত্র, হয় আপনি ডর্মে থাকবেন, অথবা থাকবেন দুজন বা একজন রুমমেটের সাথে রুম ভাগাভাগি করে। আপনার রুমমেট যেই হোন না কেন, থাকার পরিবেশটা অধিকাংশক্ষেত্রেই ঘরের মতো হয় না। সেক্ষেত্রে থাকার জায়গাটি নিয়ে ভাবা এবং সে অনুযায়ী গুছিয়ে নেয়াটা খুব জরুরি। থাকার জায়গাটি যদি বেশ ছোট হয়, তাহলে সেটাকে গুছিয়ে নিতে খানিকটা বেগ পেতে হয়, বিশেষত আপনি যখন ঐ একই জায়গায় থাকছেন, ঘুমাচ্ছেন, পড়াশোনা করছেন অথবা অবসর কাটাচ্ছেন। একটা সময় এমন ছোট একটা রুম বা ডর্ম গোছানো কেবল চেয়ার, টেবিল, বিছানা, শেলফ আর কিছু…

Reading Time: 4 minutes ব্যস্ত জীবন। সবসময় দৌড়ে বেড়াচ্ছি আমরা। যত সুন্দর জায়গাই হোক না কেন একসময় ফিরতে হয় প্রিয় এই নীড়ে। নিজের ঘরের মত প্রশান্তি অন্য কোথাও খুঁজে পাওয়া অসম্ভব। ক্লান্ত শরীরটা শুধু মাত্র আপনার বেডরুমের বিছানায় যে প্রশান্তি খুঁজে পায় সেই প্রশান্তি বিশ্বের কোন পাঁচ তারা হোটেলেও খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। আমরা যেমন বেডরুমের ইন্টেরিয়েরে চাই আধুনিকতার ছোঁয়া তেমনি একই সাথে চাই মনের প্রশান্তিটাও। ইন্টেরিয়র ডেকোর নিয়ে সকলের মধ্যেই একটা ভাবনা কাজ করে সেটা হলো,  ইন্টেরিয়র ডেকোর অনেক ব্যয়বহুল। আসলেই কি তাই? আপনাদের এই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই আমাদের আজকের এই ব্লগ। কম খরচে বেডরুমের ডেকোর সম্ভব। শুধু প্রয়োজন আপনার সময় আর ইচ্ছা। আমরা এনেছি কয়েকটি উপকারী টিপস যেগুলো ব্যবহার করে আপনি নিজেই বেডরুমের সাঁজ বদলে ফেলতে পারবেন। না লাগবে ইন্টেরিয়র ডিজাইনার, না লাগবে বেশি পয়সা। কম খরচে বেডরুমের ডেকোর এতটাও কঠিন কিছু না। একটি আরামদায়ক বেডরুমের জুড়ি নেই। তাই বেডরুমের ডেকোরেশন বা ফার্নিচার-প্ল্যানিং নিয়েও থাকে একেকজনের একেকরকম পরিকল্পনা। নিজস্ব প্রয়োজন, বাজেট আর ব্যক্তি-রুচির…

Reading Time: 4 minutes জীবনে কখনই বাসা বদলাতে হয় নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া আসলেই কঠিন। নানা প্রয়োজনে অনেককেই বাসা বদল করতে হয় প্রতিনিয়ত। আর বাসা বদলের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত সবধরনের জিনিসপত্র প্যাকিং করার বিষয়টি। যতই বিরক্তিকর কিংবা সময়সাপেক্ষ হোক না কেন, বাসা বদল করতে গেলে প্যাকিং করতেই হবে। অন্য সবকিছুর মতই, জিনিসপত্র গোছগাছ করার আগেই যদি আপনি ঠিকঠাকভাবে প্ল্যানিং করে নেন তাহলে মিটে যায় অনেক সমস্যাই। আর এই ব্লগটি এমনই কয়েকটি টিপস নিয়ে যা বাসা বদলের সময় জিনিসপত্র প্যাকিং করার জন্য হবে সহায়ক।    ১. অপ্রয়োজনীয় জিনিস ফেলে দেবার সময় এখনই! বাসা মানেই হল একটি সংসার। আর সংসারে দরকারী জিনিসের কোন শেষ নেই। জিনিসপত্র যত বাড়তে থাকে, একই সাথে বাড়তে থাকে অপ্রয়োজনীয় জিনিসের সংখ্যাও। যখন একটি বাসায় আপনি বাস করছেন, তখন আনাচে কানাচে, এখানে সেখানে হয়ত জায়গা হয়ে যায়। কিন্তু বাসা বদলের সময় এসব জিনিসই হয়ে উঠে সবচেয়ে বড় সমস্যার কারণ। তাই যদি দ্রুত সব জিনিস প্যাক করতে চান তাহলে উৎকৃষ্ট সময় এসব অপ্রয়োজনীয়…

Reading Time: 5 minutes বর্তমান যুগ “ডি আই ওয়াই” (ডু ইট ইউরসেলফ) এর যুগ। সবাই যে বেশিরভাগ কাজ নিজেই করতে চান এবং এ নিয়ে ইন্টারনেটে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ভিডিও বা টিউটোরিয়ালেরও অভাব নেই। তাই কোন দরকারী কাজ আপনি না জানলেও জলদি সে বিষয়ে জেনে নিয়ে কাজ শুরু করে দিতে পারেন। কিন্তু যদি কোন কাজ শুরু করে দেখেন যে সেজন্য দরকারী কোন একটি যন্ত্র আপনার কাছে নেই, তখন কেমন লাগবে বলুন তো? এজন্যই বাসায় সব সময় হাতের কাছে কিংবা গুছিয়ে রাখা উচিত কিছু প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার সামগ্রী । স্ক্রু-ড্রাইভার স্ক্রু ড্রাইভার হল লাইফ সেভিং জিনিস। বিশ্বাস না হলে শক্তভাবে এঁটে যাওয়া কোন স্ক্রু একবার হাত বা অন্য কোন যন্ত্র দিয়ে খোলার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। আর এজন্যই প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার সামগ্রী নিয়ে লিস্ট করলে তাতে প্রথম দিকেই থাকবে একটি স্ক্রু ড্রাইভার সেটের নাম। বড় ছোট বা মাঝারী, লম্বা নলওয়ালা বা খাটো, স্টার বা মাইনাস, সব ধরণের, সব রকমের স্ক্রু ড্রাইভার রাখুন হাতের কাছে। জরুরী মুহূর্তে আপনার থেমে যাওয়া…

Reading Time: 5 minutes মনের মত অফিস খুঁজে পাওয়া বিশাল এক বিপদ। নিস্তার মেলেই না। আর অনেক কাঠ খর পোড়ানোর পর পাওয়া যায় মনের মত একটি অফিসস্পেস। অফিসের কাছে বাসা নেওয়ার সুবিধা সবাই তেমন পায়না। এছাড়া যারা স্টার্ট আপ শুরু করতে যাচ্ছেন, কম বেশি সকলেই নিজ বাসা থেকেই স্টার্ট আপের শুরুটা করেন। তাদের সকলেরই প্রথম পছন্দ হয়ে থাকে নিজের বাসা। পরিকল্পনা, আলোচনা, মিটিং সবকিছুই যেন এই বাসার কোন এক কর্নারে হয়ে থাকে। তাহলে সেই কর্নারটাকে হোম অফিস সেটআপ করে নিলে কিন্তু ভালই হয়। তাছাড়া অনেকেই আছেন যারা কিনা নিজের বাসা থেকে কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তাই বলে কাজে কম সময় দেয়া যায় তা ভাবাটা মোটেও ঠিক নয়। বরং, ঘুরে ফিরে কাজের জন্য বেশি সময় ধরে এই ‘হোম অফিসেই’ পড়ে থাকতে হয়। দিনের বেশির ভাগ সময়ে যেখানে পার করতে হয় সে জায়গাটি কিন্তু, একটি ডিজাইন করে নিলে মন্দ হয় না। ছোটখাটো ডিজাইন হোম অফিসের চেহারা পাল্টে ফেলতে পারে। সুতরাং, আমাদের আজকের ব্লগে আপনার…

Reading Time: 4 minutes একটি বাসা কেনা যেমন ক্লান্তিকর একটি বিষয় ঠিক তেমনি একটি কঠিন বিষয় হল নিজের বাড়িটি বিক্রি করে দেয়াও। নানা নিয়মনীতির সাথে সাথে বাড়ি বিক্রির আগে মাথায় আসে কতশত ভাবনা। আবার ঠিক মত প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে না নামলে, “নিজের বাড়িটি কি বিক্রি করে দেব?” ভাবার আগেই পড়তে হয় নানান বিড়ম্বনায়। এতে যেমন নিজের শ্রম এবং সময়ের অপচয় হয় ঠিক তেমনি হাত থেকে ছুটে যায় অনেক ভাল ক্রেতাও। তাই আসুন জেনে নিই বাড়ি বিক্রির আগে কোন প্রশ্নগুলো নিজেকে করা উচিত। যা দাম চাচ্ছেন তা ঠিক আছে কি? বাড়ির মালিক হিসাবে প্রথমে দাম আপনাকেই ঠিক করতে হবে। বাড়ি বিক্রির সময় অনেক বড় একটি বিষয় হল বাড়ির জন্য একটি উপযুক্ত দাম ঠিক করা। সমস্যা দেখা দেয় ক্রেতা আর বিক্রেতার ধারণার অসামঞ্জস্যতার কারণে। বাড়ির মালিক ভাবেন, এর চেয়ে কমে বিক্রি করাই সম্ভব না, অন্যদিকে ক্রেতা ভাবেন বাড়ির তুলনায় বিক্রেতার চাওয়া দাম অনেক বেশি। এ চিরন্তন সমস্যা সমাধানের উপায় কী?  উপায়টি খুবই সহজ। যেহেতু বাড়ির মালিক…

Reading Time: 4 minutes দেশে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য কত জানেন? ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড – বিপিডিসির দেয়া তথ্যমতে প্রথম ৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য আপনাকে বিল গুনতে হবে ৩.৫০ টাকা প্রতি ইউনিট হারে। আর কোনভাবে যদি ৫০ ইউনিটের বেশি ব্যবহার করেন তাহলে ০ থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ইউনিট প্রতি বিল গুনতে হবে ৪ টাকা হারে। ইউনিট যত বাড়বে, প্রতি ইউনিটের দামও বাড়তে থাকবে। আর এর সাথে ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট ইত্যাদি তো আছেই। তাই বাড়তি বিল থেকে রক্ষা পাবার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় বিদ্যুৎ খরচ কমানো। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য বৈদ্যুতিক সামগ্রীর কোন অভাব নেই। লোডশেডিং এর সময়ে সবার বেহাল দশা দেখলেই তা বোঝা যায়। তাই প্রতি মাসে বেশ ভাল পরিমাণে বিদ্যুৎ খরচ আমাদের করতেই হয়। কিন্তু সবচেয়ে বেশি কারেন্ট টানে এমন সামগ্রী কোনগুলো? ফ্রিজ, এসি বা পানির পাম্পের মতন এমন খরুচে বৈদ্যুতিক যন্ত্রগুলো সম্পর্কে চলুন জেনে নিই –  রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ টিভি, ফ্যান, লাইট, ওভেন বা কম্পিউটার, এই ইলেকট্রিক যন্ত্রগুলি যতই বিদ্যুৎ টানুক…